Posts

নামাজ গুনাহ মাফের উসিলা

  নামায গুনাহ মাফের উসিলা ১.উবাদা ইবনে সামেত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অযু করে সময়মত সালাত আদায় করেছেন এবং রুকু সেজদায় খেয়াল রেখে মনোনিবেশের সাথে সালাত আদায় করে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন। আর যে তা করবে না, তার অপরাধ মাফ করে দেয়া সম্পর্কে আল্লাহর কোনো দায়িত্ব নেই। ইচ্ছা করলে তিনি মাফ করতে পারেন এবং ইচ্ছা করলে আযাবও দিতে পারেন। (আবু দাউদ) ২.হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও এক জু’মআ থেকে আরেক জু’মআ পর্যন্ত পঠিত নামাযের মধ্যকার (সব গুনাহ) জন্য কাফফারাহ, যে পর্যন্ত কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে। ৩.হযরত উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি : যদি কোনো মুসলমান ফরয নামাযের সময় হলেই ভাল করে অযু করে তারপর খুশু ও খুশু সহকারে নামায পড়ে তার এ নামায তার আগের সমস্ত গুনাহের কাফফারাহ হয়ে যায়। ...

নামায কতপ্রকার

  নামায পাঁচ প্রকার নামায পাঁচ প্রকার ১ .ফরয : যা সরাসরি কোরআন থেকে পাওয়া এবং রাসূল ফরয , তথা অবশ্যই পালনীয় বলে নির্দেশ করেছেন। যা আদায় করা জরুরী , পরিত্যাগ করা হারাম। ফরয নামাজের রাকা’আত সংখ্যা সুনির্দ্ধারিত। যেমন ফজর দুই রাকা’আত, যোহর চার রাকা’আত, আছর চার রাকা’আত, মাগরিব তিন রাকা’আত এবং এশা চার রাকা’আত মোট সতের রাকা’আত। ২ . ওয়াজিব  : যা আদায় করা জরুরী , পরিত্যাগ করা মাকরূহে তাহ্রীমী। ৩ .সুন্নাতে   মুয়াক্কাদা : যা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাম নিয়মিত আদায় করেছেন। এটা পরিত্যাগ করা গুনাহ। ৪ . সুন্নাতে   গায়রে   মুয়াক্কাদা : যা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাম যে কাজ অধিকাংশ সময় করেছেন , তবে কখনো কখনো পরিত্যাগও করেছেন। ৫ . নফল : যা আদায়ে ছওয়াব রয়েছে , পরিত্যাগে গোনাহ নেই। নফল নামায সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। কেউ ইচ্ছা করলে পড়লো এবং কেউ ইচ্ছা করলে নাও পড়তে পারে। যে ব্যক্তি তা পড়ে সে প্রশংসাযোগ্য।

নামাজের ভিতরে পঠিত বিষয়সমূহ

  নামাযের ভেতরে পঠিত বিষয়সমূহ নামাযের মধ্যে যে পঠিত কালামে পাকের কিছু আয়াত , দোয়া, দরূদ, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ ধারাবাহিকভাবে নিম্নে তুলে ধরা হলো : জায়নামাযের দোয়া:  اِنِّئْ   وَجَّهْتُ   وَجْهِئَ   لِلَّذِئْ   فَطَرَالسَّمَوَاتِ   وَالْاَرْضَ   حَنِيْفًا   وَّمَا   اَنَا   مِنَ   الْمُشْرِكِيْنَ উচ্চারণ : ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্ল ¬াযী ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বা হানীফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন । অর্থ : নিশ্চয়ই আমি একমুখী হয়ে স্বীয় আসমান এবং জমিনের স্রষ্টা আল্লাহতায়ালার প্রতি একনিষ্ঠভাবে মনোনিবেশ করলাম , আর আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই। (সূরা-৬ আনআম : আয়াত-৭৯) নিয়ত : ফজরের দু’রাকা’আত ফরয : (যখন যে নামাজ পড়বে তার মনে মনে স্থির করাই নিয়্যাত) نَوَيْتُ   اَن   ْاُصَلِّىَ   لِلّٰهِ   تَعَالٰى   رَكْعَتَىْ   صَلَوةِ   الْفَجْرِ   فَرْضُ   اللهِ   تَعَالٰى   مُتَوَجِّهًا   اِلٰى   جِهَةِ   الْكَعْبَةِ   الشَّرِيْفَةِ   اَللهُ   اَ...

দোয়া কুনুত

Image
  দোয়া কুনুত বিতরের নামাযে পড়তে হয়ঃ দোয়া কুনুত আরবীঃ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اَللَّمُمَّ اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ দোয়া কুনুতের বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্‌তাঈ’নুকা, ওয়া নাস্‌তাগ্‌ফিরুকা, ওয়া নু’’মিনু বিকা, ওয়া নাতাওয়াক্কালু ‘আলাইকা, ওয়া নুছনী আলাইকাল খাইর। ওয়া নাশ কুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ’, ওয়া নাতরুকু মাঁই ইয়াফজুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া লাকানুসল্লী, ওয়া নাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস’আ, – ওয়া নাহফিদু, ওয়া নারজু রাহমাতাকা, ওয়া নাখশা – আযাবাকা, ইন্না আযাবাকা বিল কুফ্‌ফারি মুলহিক্ব। দোয়া কুনুতের অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তোমারই সাহায্য চাই। তোমারই নিকট ক্ষমা চাই, তোমারই প্রতি ঈমান রাখি, তোমারই ওপর ভরসা করি এবং সকল মঙ্গল তোমারই দিকে ...