Posts

Showing posts from January, 2021

অযুর সুন্নাত ও নফল

  অযুর সুন্নাত ও নফল ১.অযুর পূর্বে মেসওয়াক করা ২.বিসমিল্ল¬fহ’ বলে অযু শুরু করা ৩.ডান দিক থেকে অযু শুরু করা ৪.দু’হাতের কব্জি ধোয়া ৫.অযুর নিয়ত করা ৬.এক অঙ্গ ধোয়ার পর অপর অঙ্গ ধুইতে বিলম্ব না করা ৭.প্রতি অঙ্গ তিন বার ধোয়া ৮.হাত পায়ের আঙ্গুলসমূহ মর্দন/খিলাল করা ৯.কুলি করা ১০.গড়গড়া করা ১১.নাকে পানি দেয়া ১২.ডান হাতে পানি দেয়া, বাম হাতে নাক পরিষ্কার করা ১৩.হাতে আংটি থাকলে এদিক সেদিক ঘুরিয়ে নেয়া ১৪.কানের ভিতর ও বাইরে দিয়ে পানি নেয়া ১৫.সমস্ত মাথা মাসেহ করা ১৬.ঘাড় মাসেহ করা ১৭.দাড়ি খেলাল করা ১৮.মোজা পায়ে না থাকলে পা ধোয়া, মোজা থাকলে মোজার উপর মাসেহ করা ১৯.মোজার উপর মাসেহ করা নিজ বাড়িতে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ মুকীম-এর জন্য ১ দিন ১ রাত আর ভ্রমণে অর্থাৎ মুসাফির-এর জন্য ৩ দিন ৩ রাত পর্যন্ত ২০.কেবলামুখী হয়ে অযু করা ২১.অযুর সময় বাজে কথা না বলা ২২.ওয়াক্তের পূর্বে অযু করা ২৩.অযু করতে গিয়ে পানি অপচয় না করা ২৪.অযুর তারতীব (ধারাবাহিকতা) রক্ষা করা ২৫.উঁচু স্থানে বসে অযু করা ২৬.অযু শেষে দাঁড়িয়ে অযুর পানি পান করা ২৭.ডান হাতে করে পানি দেয়া ২৮.অযু করার পর ধৌত করা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ না মোছা ২৯.অযু শেষে দোয়া করা।

তাইয়্যাম্মুমে তিন ফরয

  তাইয়্যাম্মুমে তিন ফরয   ১.নিয়ত করা ২.সমস্ত মুখ একবার মাসেহ করা ৩.দুই হাতের কনুইসহ একবার মাসেহ করা।

পবিত্রতা অর্জন উপযোগী পানি

  পবিত্রতা অর্জন উপযোগী পানি যে সমস্ত পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায় তা সাত প্রকার:  المياه التي يجوز التطهير بها سبعة مياه ' ১। বৃষ্টির পানি ماء السماء ২। সাগরের পানি وماء البحر  ৩। নদীর পানি وماء النهر ৪। কুপের পানি وماء البئر  ৫। বরফ গলিত পানি. وما ذاب من الثلج   ৬। শিলা ও শিশির গলিত পানি وما ذاب من البرد  ৭। ঝর্ণার পানি وماء العين  نور الايضاح.

এক নজরে জামায়াতে নামাযের ফযীলত

  এক নজরে জামায়াতে নামাযের ফযীলত   ১.একাকী নামাযের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি সওয়াব। ২.মসজিদে যাবার পথে প্রতি কদমে একটি পূণ্য। ৩.প্রতি কদমে একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি। ৪.প্রতি কদমে একটি করে পাপ মোচন। ৫.প্রথম সারিতে দাঁড়ালে ফেরেশতাতুল্য মর্যাদা লাভ। ৬.জামায়াতে যতো বেশি লোককে শামিল করা যাবে ততো বেশি আল্লাহর ভালোবাসা লাভ। ৭.জু’মআর মসজিদের নামায ৫০০ নামাযের সমান। ৮.মসজিদে আকসার নামায ১ হাজার নামাযের সমান। ৯.মসজিদে নববীর নামায ৫০ হাজার নামাযের সমান। ১০.মসজিদে হারামের নামায ১ লক্ষ নামাযের সমান। ১১.আল্লাহ অভাব দূর করে দিবেন। ১২.আল্লাহ কবর আযাব মাফ করে দিবেন। ১৩.আল্লাহ ডান হাতে আমলনামা দিবেন। ১৪.আল্লাহ বিনা হিসাবে জান্নাত দান করবেন। ১৫.জামায়াতের প্রথম কাতার বেহেস্তের প্রথম কাতার।

ফজর ও এশার জামায়াতে হাযির হওয়া

  ফযর ও এশার জামায়াতে হাযির হওয়া   ১.হযরত উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি এশার নামায জামায়াতের সাথে পড়ল সে যেন অর্ধরাত অবধি নামায পড়ল। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামায জামায়াতের সাথে পড়ল সে যেন সারা রাত নামায পড়ল। ২.হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যদি তারা এশা ও ফজরের নামাযের মধ্যে কি আছে তা জানতে পারত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এই দুটি নামাযের (জামায়াতে) শামিল হত। ৩.হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: এশার ও ফজরের নামাযের মত আর কোন নামায মুনাফিকদের কাছে বেশী ভারী বোঝাা বলে মনে হয়না। তবে যদি তারা জানত এই দুই নামাযের মধ্যে কি আছে তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এই দুই নামাযে শামিল হত। ৪.জামায়াতে নামায পড়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত এশা ও ফজরের নামাযকে। কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : এই দুইটি নামায অর্থাৎ ফযর ও এশা মুনাফিকের জন্য সবচেয়ে কঠিন। এই দ...

নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফযীলত

  নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফযীলত   ১.হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন : আমি কি তোমাদেরকে এমন বিষয় জানাব না , যার মাধ্যমে আল্লাহ গুনাহসমূহ খতম করে দেন এবং মর্যাদাবৃদ্ধি করেন? সাহাবাগণ বললেন: হাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন : তা হচ্ছে কঠিন অবস্থায় পুরোপুরি ওযু করা, মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপ গ্রহণ করা (অর্থাৎ বেশী দূর থেকে মসজিদে আসা) এবং এক নামাযের পর আর এক নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। এটিই হচ্ছে তোমাদের সীমান্ত প্রহরী।এটিই হচ্ছে তোমাদের সীমান্ত প্রহরী। ২.হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন:যতক্ষণ নামাযের জন্য প্রতীক্ষা কোন ব্যক্তিকে আটকে রাখে এবং যতক্ষণ নামায ছাড়া অন্য কিছু তাকে গৃহে পরিজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার পথে বাধা দেয়না , ততক্ষণ সে নামাযের মধ্যেই থাকে। ৩.হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার নামায মধ্যরাত পর্যন্ত দেরী করে পড়লেন। নামাযের পর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন : সমস্ত লোক নামায পড়ার পর ঘুমিয়ে পড়ে...

অবাধ্য সন্তানকে অনুগত করার আমল

অবাধ্য সন্তানকে অনুগত করার আমল প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।’এ গুণবাচক নামগুলোর আলাদা আলাদা আমল এবং অনেক উপকার ও ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلشَّهِيْدُ) ‘আশ-শাহিদু’ একটি। এ পবিত্র নামের আমলে অবাধ্য সন্তান অনুগত হয়ে যায়। আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلشَّهِيْدُ) ‘আশ-শাহিদু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-উচ্চারণ : ‘আশ-শাহিদু’অর্থ : ‘প্রত্যক্ষকারী; প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব বিষয়ে যিনি অবহিত’ আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْبَاعِثُ)-এর আমল ফজিলত>> যদি কোনো ব্যক্তির সন্তান ছেলে হোক আর মেয়ে হোক পিতামাতার অবাধ্য বা অসৎ হয়ে যায়; তবে সে (পিতামাতা) যেন নিজের হাত সন্তানের কপালে রেখে এবং সন্তানের মুখমণ্ডলকে আসমানের দিকে ফিরিয়ে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلشَّهِيْدُ) ‘আশ-শাহিদু’ ২১ বার পাঠ করে। আল্লাহর ইচ্ছায় ওই অবাধ্য বা অসৎ সন্তান (ছেলে হোক আর মেয়ে) সে সৎ ও আনুগত্যশীল হয়ে যাবে। পরিশেষে...যারা ছেলে বা মেয়ের অবাধ্যতায় দুশ্চিন্তা বা পেরেশানিতে...

ওমরাহ কি?

ওমরাহ কি?              ওমরাহ আরবি শব্দ। ওমরাহর আভিধানিক অর্থ হলো ধর্ম, কর্ম, ইবাদত, সুখকর, সেবা, স্থিতিশীল, জীবন, মহাপ্রাচীন, স্থাপত্য-স্থাপনা, প্রাপ্তি, অভ্যর্থনা, জিয়ারত বা সফর ও ইচ্ছা।             শরীয়তের ভাষায়- শরীয়ত নির্দেশিত বিশেষ পদ্ধতিতে ইহরামসহ, ক্বা’বা শরীরে চর্তুদিকে তাওয়াফ করা, ‘সাফা’ ও ‘মারওয়া’ পাহাড়দ্বয়ের মধ্যস্থলে সাঈ করা এবং মাথা মুন্ডানোকে ওমরাহ বলে৷ এটিকে ‘ওমরা’ও বলা হয়৷ এ সম্পর্কে কোরআন করিমে রয়েছে: ‘নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনাবলির অন্যতম; তাই যারা হজ করবে বা ওমরাহ করবে, তারা এতদুভয়ের প্রদক্ষিণ (সায়ী) করবে।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৫৮)।           ওমরাহ পালন করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল।             এটি পুরুষ ও মহিলা সবার জন্য প্রযোজ্য। ওমরাহ করলে হজ ফরজ হয়ে যায়, এ রকম কোনো বিধান নেই। মক্কা-মদিনার প্রতি আকর্ষণ ও হৃদয়ের টান ইমানের পরিচায়ক। তাই অনেকে প্রেমের টা...

মানুষের চুলের ব্যবসা করা কী জায়েজ?

 প্রশ্ন:  মানুষের ( মহিলা/পুরুষ ) চুলের ব্যাবসা করা কি জায়েজ ?   উত্তরঃ- মানুষের শরীর ও তার অংশবিশেষ কোন ব্যবসায়িক পণ্য নয় যে, তা দিয়ে ব্যবসা করা হবে। মানুষের হাত পায়ের মতই তার চুলও তার শরীরের একটি অংশ। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, পুরুষদের জন্য মাথার চুল বড় হয়ে গেলে তা কর্তিত করার বিধান রয়েছে। নারীদের বিষয়ে (বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত) তাও নিষিদ্ধ। قَطَعَتْ شَعْرَ رَأْسِهَا أَثِمَتْ وَلُعِنَتْ زَادَ فِي الْبَزَّازِيَّةِ وَإِنْ بِإِذْنِ الزَّوْجِ لِأَنَّهُ لَا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ الْخَالِقِ، (رد المحتار، كتاب الحظر والإباحة، فصل البيع-6/407 মানুষ সম্মানিত প্রাণী। কোন পণ্য নয়। তাই মানুষের কোন অঙ্গ বা কর্তিত অংশকে ব্যবসায়িক পণ্য হিসিবে ক্রয়বিক্রয় করা সম্পূর্ণ হারাম। তাই মানুষের চুল, নখ ইত্যাদির ব্যবসা করা জায়েজ নয়। وَكَذَا بَيْعُ كُلِّ مَا انْفَصَلَ عَنْ الْآدَمِيِّ كَشَعْرٍ وَظُفْرٍ لِأَنَّهُ جُزْءُ الْآدَمِيِّ، وَلِذَا وَجَبَ دَفْنُهُ كَمَا فِي التُّمُرْتَاشِيِّ وَغَيْرِهِ (رد المحتار، كتاب الحظر والاباحة، فصل فى البيع-9/552) وَشَعْرِ الْإِنْسَانِ وَالِانْتِفَاعِ بِ...

আয়াতুল কুরসী

  আয়তুল কুরসী  :   اَللهُ   لَاإِلَـٰهَ   إِلَّا   هُوَ   الْحَيُّ   الْقَيُّوْمُ   ۚ   لَا   تَأْخُذُهُ   سِنَةٌ   وَلَانَوْمٌ   ۚ   لَّهُ   مَافِيْ   السَّمَاوَاتِ   وَمَافِيْ   الْأَرْضِ   ۗ   مَن   ذَا   الَّذِيْ   يْشْفَعُ   عِندَهُ   إِلَّا   بِإِذْنِهِ   ۚ   يْعْلَم   ُمَا   بَيْنَ   أَيْدِيْهِم   ْوَمَا   خَلْفَهُمْ   ۖ   وَلَا   يُحِيْطُوْنَ   بِشَيْءٍ   مِّنْ   عِلْمِهِ   إِلَّا   بِمَاشَاءَ   ۚ   وَسِعَ   كُرْسِيُّهُ   السَّمَاوَات   ِوَالْأَرْضَ   ۖ   وَلَايَئُوْدُهُ   حِفْظُهُمَا   ۚ   وَهُوَالْعَلِيُّ   الْعَظِيْمُ উচ্চারণ : আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম , লা তা’খযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাউমু, লাহু-মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বি, মানযাল্লাযী ইয়াস ফা’উ ইনদাহু ইল্লা বি‘ইযনিহি, ইয়া‘লামু মা বাইনা আই...

সূরা হাশর

  সূরা হাশরের শেষাংশ   : هُوَاَللهُ   الَّذِيْ   لَا   إِلَـٰهَ   إِلَّا   هُوَ   ۖ   عَالِمُ   الْغَيْبِ   وَ   الشَّهَادَةِ   ۖ   هُوَ   الرَّحْمَـٰنُ   الرَّحِيْمُ   ﴿٢٢﴾   هُوَ   اَللهُ   الَّذِيْ   لَا   إِلَـٰهَ   إِلَّاهُوَالْمَلِكُ   الْقُدُّوسُ   السَّلَامُ   الْمُؤْمِنُ   الْمُهَيْمِنُ   الْعَزِيْزُ   الْجَبَّارُ   الْمُتَكَبِّرُ   ۚ   سُبْحَانَ   اللهِ   عَمَّا   يُشْرِكُونَ   ﴿٢٣﴾   هُوَ   اَللهُ   الْخَالِقُ   الْبَارِئُ   الْمُصَوِّرُ   ۖ   لَهُ   الْأَسْمَاءُ   الْحُسْنَىٰ   ۚ   يُسَبِّحُ   لَهُ   مَا   فِيْ   السَّمَاوَاتِ   وَ   الْأَرْضِ   ۖ   وَهُوَ   الْعَزِيْزُ   الْحَكِيْمُ   ﴿٢٤﴾ উচ্চারণ : হুওয়াল্লা হুললাযী লা-ইলাহা ইল্লাহু আ’-লিমুল গাইবি ওয়াশশাহাদাতি হুওয়ার রাহমানুর রাহীম। হুওয়া...

সফরের নামায

  সফরের নামায সফরের   নামায কেউ যদি নিজ এলাকা থেকে আটচল্লিশ মাইল দূরে যাওয়ার এবং সেখানে পৌঁছে পনেরো দিনের কম থাকার নিয়ত করে তাহলে সে কসর পড়বে। নিজ এলাকা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত। কসর অর্থ হচ্ছে চার রাকা’আত বিশিষ্ট নামায দুই রাকা’আত পড়া। যথা জোহর আসর ও ইশা। দুই বা তিন রাকা’আত বিশিষ্ট নামাযে কসর নেই। যেমন ফজর ও মাগরিবের নামায এবং বিতর নামায। সফরের নামায সম্পর্কে কতিপয় হাদীসে রাসূল : ১.ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। আল্লাহতায়ালা তোমাদের নবীর মাধ্যমে আবাসে চার রাকা’আত এবং প্রবাসে (সফরে) দুই রাকাত নামায ফরয করেছেন। (সহীহ মুসলিম) ২.আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহু সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মক্কা রওয়ানা করি। আমরা মক্কা থেকে মদিনা ফিরে আসা পর্যন্ত তিনি চার রাক’আতের নামায দুই রাকা’আত পড়েছেন। (সহীহ আল বোখারী ও সহীহ মুসলিম) রাসূলুল্লাহু সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সকল সফরের নামায দুই রাকাত করে পড়েছেন। সুতরাং আমাদেরও শুধু উচিৎ নয় বরং আবশ্যিকভাবে সফরে চার রাকা’আত নামায দুই রাকা’আত করে পড়া।

রাতে ঘুমানোর পূর্বের আমল

  রাতে ঘুমাবার পূর্বের আমল একদা নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন আলী ! পাঁচটি কাজ সম্পাদন না করে নিদ্রা যেয়ো না। রাতে   ঘুমাবার   পূর্বের   আমল একদা নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন আলী ! পাঁচটি কাজ সম্পাদন না করে নিদ্রা যেয়ো না। প্রথমত  – মিসকীনদের মধ্যে চার হাজার দেরহাম সাদকা করবে। দ্বিতীয়ত – অন্তত এক খতম কুরআন পাঠ করবে। তৃতীয়ত – জান্নাতের মূল্য পরিশোধ করবে। চতুর্থত  – হজ্জ আদায় করবে। পঞ্চমত – সমগ্র দাবীদারদের তুষ্ট করবে। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আরজ করলেন , ইয়া রাসূলুল্ল¬াহ! এতগুলি কাজ একরাতে সমাধা করা কিভাবে সম্ভবপর হবে? নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন- প্রথমত: শয়নের আগে ৪ বার সূরা ফাতেহা পাঠ করবে। এতেই ফকীর-মিসকীনের মধ্যে চার হাজার দেরহাম সদকা দান করার তুল্য নেকি অর্জিত হয়ে যাবে। اَ   لْحَمْدُ   لِلّٰهِ   رَبِّ   الْعَالَمِيْنَ   ﴿٢﴾   اَ   لرَّحْمَـٰنِ   الرَّحِيْمِ   ﴿٣﴾   مَالِكِ   يَوْمِ   الدِّيْنِ   ﴿٤﴾   اِيَّاكَ   نَعْبُ...

বান্দার হক থেকে তাওবা করার উপায়

  বান্দার হক থেকে তাওবা করার উপায় বান্দার হক থেকে তাওবা করার উপায় আলহামদু লিল্লাহি নাহমাদুহূ ওয়া নাস্তাঈনুহূ ওয়া নাস্তাগফিরুহ ওয়াছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া ‘আলা আলিহী ওয়া আছহাবিহী ওয়া বারাকা ও সাল্লামা তাসলীমান কাছীরা, আম্মা বা‘দ। এক মালফূযে হাকীমুল উম্মত হযরত থানবী (রাহ) বলেন, ‘নেক আমল অথবা তাওবা দ্বারা গোনাহ মাফ হয়ে যায়, তবে কারো হক মাফ হয় না। সুতরাং যথাসম্ভব বান্দার হক আদায় করতে হবে এবং সমস্ত হক আদায় করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা রাখতে হবে। তারপর যদি কিছু বাকি থেকে যায় এবং মৃত্যু এসে যায়, তখন আল্লাহ তা‘আলার কাছে আশা করা যায় যে, তিনি তাকে দায়মুক্ত করে দেবেন, অর্থাৎ মাযলূমকে খুশী করে জালিমের মাগফিরাত করে দেবেন।’ (আনফাসে ঈসা, ১৯৮) ছাগীরা ও কবীরা গোনাহ কীভাবে মাফ হয়? এখানে হযরত (রহ) নেক আমল দ্বারা এবং তাওবা দ্বারা গোনাহ মাফ হওয়ার কথা বলেছেন; তবে পার্থক্য এই যে, নেক আমল দ্বারা শুধু ছগীরা গোনাহ মাফ হয়, আর তাওবা দ্বারা কবীরা গোনাহও মাফ হয়। হাদীছ শরীফে যে নেক আমল দ্বারা গোনাহ মাফ হওয়ার খোশখবর এসেছে তা দ্বারা শুধু ছাগীরা গোনাহ উদ্দেশ্য। যেমন বর্ণিত আছে, অযু করার সময় বান্দা যখন হাত ধোয় তখন হাতের গোনা...